Header Ads

Header ADS

The number of Bangladesh unemployed is increasing day by day?

বাংলাদেশ বেকার সংখ্যা কি দিন দিন বাড়ছে ?


যে জাতি যত বেশি শিক্ষিত সে জাতি তত বেশি উন্নত। তাই কি ? ছোট বেলা থেকে এই উক্তি পরে আসছি। কিন্তু এই উক্তির সাথে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার কোনো মিল নেই। আপনাদের কি  তাই মনে হয় যদি মনে হয় কমেন্ট করে জানাবেন।

এক দশকে প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ ও নারীর মধ্যে সাক্ষরতার হার বৃদ্ধির পরিমাণ যথাক্রমে ৭৫ দশমিক ৬২ এবং ৬৯ দশমিক ৯০। এই তথ্যে দেখা যায়, গত ১০ বছরে শিক্ষিত যুবক ও যুব মহিলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। 
২০১৬ সালে ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী পুরুষ ও মহিলার মধ্যে সাক্ষরতার হার বৃদ্ধি পেয়েছে ৯২ দশমিক ২৪ ভাগ। যা ২০০৭ সালে ছিল ৬১ দশমিক ৮৭ শতাংশ। 

তবে বলতে গেল বাংলাদেশ শিক্ষার হার সত্যি বেড়েছে। তা পরিসংক্ষান বা প্রতিবেদন তা বুঝা যাই।  তবে সেই অনুপাতে  কি বাংলাদেশ বেকারের সংখ্যা কমেছে । 

"গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের হিসাব অনুযায়ী দেশে ১৫ বছরের বেশি বয়সী কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা ১০ কোটি ৯১ লাখ"

"দেশে বেকারের সংখ্যা ২৬ লাখ ৮০ হাজার 
এক বছরে বেকার বেড়েছে ৮০ হাজার; গত অর্থবছরে নতুন কর্মসংস্থান ১৩ লাখ"

বাংলাদেশ  সত্যি অনেক এগিয়ে গেছে সব ক্ষেত্রে। কিন্তু বাংলাদেশ সেই তুলনায় এই দেশের মানুষের সেই ধরনের ভালো কোনো কর্মসংস্থান সিরিজটি করতে পারিনি।  তাই সেই ফলে বাংলাদেশ দিন দিন বেকার সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। 
বর্তমানে বাংলাদেশের বেকারের সংখ্যা "২৬ লাখ ৮০ হাজার" কিন্তু তার আগের বছর ছিল "২৬ লাখ" 
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) পরিচালিত সর্বশেষ ত্রৈমাসিক শ্রমশক্তি জরিপে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
 এই প্রতিবেদনে আরো বলা হয় যে জাতীয় বেকারত্বের গড় হার অপরিবর্তিত রয়েছে। এ হার ৪ দশমিক ২ শতাংশ। উচ্চ শিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্বের হার বেশি। অর্থাৎ মোট বেকারত্বের ১১ দশমিক ২ শতাংশ উচ্চ শিক্ষিত। 

আরো এক প্রতিবেদনে বলা হয় ‘৬ কোটি ৩৬ লাখ শ্রমশক্তির মধ্যে পুরুষের সংখ্যা ৪ কোটি ৩৫ লাখ। আর নারীর সংখ্যা ২ কোটির মতো। ২০১৫-১৬ সালের জরিপে ৬ কোটি ২১ লাখ শ্রমশক্তির মধ্যে পুরুষের সংখ্যা ছিল ৪ কোটি ৩১ লাখ। আর নারীর সংখ্যা ছিল ১ কোটি ৯১ লাখ। এ হিসেবে ২ বছরে শ্রমশক্তিতে নারীর হার বেড়েছে প্রায় ৯ লাখ। আর শ্রম বাজারে নারীর অংশগ্রহণ দিন দিন বাড়ছে। ২০১৩ সালে ছিল ১ কোটি ৮২ লাখ।


কিন্তু বাংলাদেশের শিক্ষিত বেকার সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।  যার হার বর্তমানে ১১ শতাংশ হলে ও  পরবর্তীতে আরো বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদি না বাংলাদেশের সঠিক এবং আরো বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা না যাই। 

এই প্রতি আরো বলা হয় যে প্রায় দেড় কোটির বেশি কর্মজীবী সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং প্রায় দুই কোটির বেশি মাধ্যমিকের গণ্ডি  পেরোতে পারেনি। আর বাকি সবাই উচ্চ শিক্ষিত। তবে তার বেশি ভাগ বেসরকারি কর্মজীবী।
বাংলাদেশের সরকারি চাকরি পদ সংখ্যা ২১ লাখ।(২০১৫ সালের মতে)। কিন্তু তা বর্তমানে বেকার সংখ্যা থেকে ও কম। তবে এর মধ্যে এর পদের সংখ্যা বাড়তে পারে। কেননা অনেক ক্ষেত্রে অনেক নতুন নতুন পদ সৃষ্টি করা হয়েছে।  কিন্তু তাতে ও বাগ্লাদেশের বেকার সংখ্যা কমেনি। 

অনেকে বলে যে সাধারণ শিক্ষা থেকে কর্মমুখী শিক্ষায় চাকরি বেশি। কিন্তু অনেকে জানেনা যে কর্মমুখী শিক্ষা গ্রহণের ফলে চাকরি পাওয়া ও আরো বেশি দুঃস্কর।  কেননা একটি চাকরি জন্য হাজারো লোক আবেদন করে আর তার মাঝে ( অনেকে মামা নিয়ে যাই)। আর যাদের (মামা) থাকেনা তাদের এই চাকরি হয় না। আবার অনেক ক্ষেত্রে রেফারেন্স প্রয়োজন পরে।  যার বেশি ভালো এবং বেশি শক্তিশালি তার চাকরি হয় আর বাকিদের চাকরি হয় না।  এখানে আরো একটি বিষয় আছে যে, বিএসসি পাস্ করে ও সবাই চাকরি পাইনা।  আর যারা পাই তাদের বেতন যে অনেক নঘন্য।  তাই যারা চিন্তা করে যে কর্মমুখী শিক্ষায় চাকরির সুযোগ অনেক তাদের কে আরো একটি বার চিন্তা করা উচিত। 

তবে আরো এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশের প্রকৃত বেকার সংখ্যা 

চার কোটি ৮২ লাখ যা সত্যি ভাবার বিষয়। বাংলাদেশের এমন ও অনেক বেকার আছে। যারা বাড়িতেই শুয়ে-বসেই সময় কাটে।  কেন না কোনো চাকরি নেই বা পাওয়া যায়না। 

তবে সরকারি জরিপের তথ্যে বেকারের খাতায় এদের নাম উঠছে না। তাই  প্রকৃত কর্মহীন মানুষের সংখ্যা ৪ কোটি ৮২ লাখ ৮০ হাজার। এর মধ্যে কর্মক্ষম কিন্তু শ্রমশক্তিতে যোগ হয়নি এমন মানুষের সংখ্যা ৪ কোটি ৫৬ লাখ। অথচ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) সংজ্ঞা অনুযায়ী এদের বেকার বলা হচ্ছে না।

তবে সরকারি হিসাবে বেকার বলা হচ্ছে ২৬ লাখ ৮০ হাজারকে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০১৬-১৭ অর্থবছরের শ্রমশক্তি জরিপের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা গেছে এ চিত্র। সম্প্রতি শ্রমশক্তি জরিপ ২০১৬-১৭ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে সংস্থাটি। 

No comments

Powered by Blogger.